স্টারবাকসের কফি


প্রচন্ড গরম পড়েছে। ফায়ারফক্সের আবহাওয়া ইন্ডিকেটর বলছে ৪১ ডিগ্রী সেলসিয়াস (১০৬ ফাঃ)। দুপুরের খাবার খেতে এই রোদের মধ্যে পিঠ পুড়িয়ে মেমোরিয়াল ইউনিয়ন গিয়ে দেখি সব বন্ধ। মেমোরিয়াল ইউনিয়ন বা MU হচ্ছে খাবার দাবারের জন্য ইউনিভাসির্টির সেন্ট্রাল একটা যায়গা। একটি মাত্র দোকান খোলা পেলাম, বাকি সব বন্ধ হয়ে গেছে গ্রীষ্মের ছুটিতে। একটা বুরিতো আর ট্যাকো খেতে খেতে ভাবছিলাম সবাই আমেরিকা এসে ফর্সা হয়ে যায় আর আমি পুড়তে পুড়তে হচ্ছি মুখপোড়া বাঁদর।

এই রোদের মধ্যে আবার ল্যাবে ফিরব কি ফিরব না এমনটা ভাবছি আর MU এর বিভিন্ন অলি গলি দিয়ে হাঁটছি। হঠাৎ চোখে পড়ল স্টারবাকস এর দোকানটা, খোলা আছে এখনও। মুহুতের্ চোখ চকচক করে উঠল আমার। ঢুকে পড়ে অর্ডার করলাম মোকা ফ্রুপাচিনো। কিছুক্ষন ওখানটায় বসে তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করলাম প্রানজুড়ানো ঠান্ডা ক্রিমি মোকা আর সেখানে বাজতে থাকা পিয়ানোর মিউজিক।

স্টারবাকস আসলেই বিস্ময়। আরেকটি বিস্ময় হলো ম্যাকডোনালডস। এরা নাকি প্রোডাক্ট লাইফ সাইকেলের কার্ভ মেনে চলে না। বিক্রি এদের বাড়ছেই। না হয়ে উপায় আছে! কফি বিক্রিকে স্টারবাকস একটা শিল্প বানিয়ে ফেলেছে। এতো বিভিন্ন রকমের নানাবণের্র, গন্ধের, স্বাদের কফি বা চা হতে পারে সেটা কল্পনাই করা যায়না। মোকাচিনো, কাপুচিনো আর ফুপাচিনো হলো তিনটে প্রধান ক্যাটাগরী। প্রতিটি ক্যাটাগরীতে আছে নানাবিধ ফ্লেভার। রয়েছে নানাবিধ চায়ের সম্ভার। আরো আছে হট চকলেট নামের একটা পানীয়। যে ধরনের স্বাদেরই হন না কেন আপনি আপনার ভাল লাগতে বাধ্য।

প্রথম প্রথম খুব অসহায় লাগত এতো গুলো অপশন দেখে। কি নিবো আর কোনটা বলব সেটা বুঝে উঠতে পারতাম না। অনেকক্ষন মেন্যুগুলোর দিকে তাকিয়ে থাকতাম কোন সিদ্ধান্ত নেবার আগে। এখন অবশ্য এনজয় করি বিভিন্ন ভ্যারাইটি।

আহ শুধু কফি খাবার জন্যই বুঝি থেকে যেতে হবে আমেরিকাতে!

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৫-১৯)

বাংলা উইকিপিডিয়া: কিছু সমস্যা


[এই বিষয়ের উপর আগে একটা পোস্ট দেখেছিলাম। আমিও পোস্টের প্রয়োজনীয়তা বোধ করছি।]

গত বছর আমার নজরে আসে বাংলা উইকিপিডিয়া। উইকিপিডিয়ার আইডিয়াটা সাধারন। কোন একটা বিষয় নিয়ে একটা কিছু লেখা। আর কারো বিষয়টা নিয়ে কোন আপত্তি বা অতিরিক্ত কিছু বলার থাকলে সে সেটা তাতে সংযুক্ত করে দিল। এতে করে তৈরী হতে থাকে ক্রমবর্ধমান এবং সমৃদ্ধ একটি তথ্য সম্ভার।

বাংলা সাইটটি আমার নজরে আসার পর আমি একটি পোস্ট করি সেখানে, লিনাক্সের ওপর। আমার আগের বিজয়ে লেখা ইউনিকোড করে পেস্ট করে দিলাম। কিন্তু তেমন কোন আলোচনা বা সাহায্য, কিছুই পাইনি।

এখানে লেখা শুরু করবার পর উইকিপিডিয়ার একজন নতুন এডমিন আমার সাথে যোগাযোগ করেন। তারা পুরো ব্যাপারটাকে রিনোভেট করার চেষ্টা করছেন।

প্রথমেই আমার মাথায় যে সমস্যাগুলো এসেছে সেগুলো হল:

১। সবাই চাইবে তাদের বর্তমানের লেখাগুলো সেখানে পোস্ট করতে। সেক্ষেত্রে একটা কার্যকরী কনভাটার্র লাগবে।

২। কেউ একটা লেখা পোস্ট করলে সেটার ক্রেডিট চাইবে অবশ্যই। কিন্তু উইকিপিডিয়া ব্যাপারটা সেভাবে সাপোর্ট করেনা। একটা লেখায় লেখকের নাম সরাসরি দেয়া থাকে না। যদিও কে কে লেখাটায় এডিট করেছে সেটা দেয়া থাকে, কিন্তু সরাসরি ক্রেডিটা পাওয়া যায় না।

৩। লেখা পাবলিশিং এর ড্রাইভিং ফোর্স কি হবে? এখানে আমরা লেখা পাবলিশ করি কেন? মূলতঃ সকলের কমেন্টে যে ইন্টারএকশনটা পাওয়া যায় সেটার কারনে। সেটা তো সেখানে নাই, তাহলে?

আপনাদের মাথায় কি আরো কিছু আসছে? ফিল ফ্রি টু সাজেস্ট।

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৫-১৮)

জাপানী ভাষায় আপনার নাম (উৎসর্গ: শর্মী)


শর্মীর জাপানীজ নামের উপর পোস্টটা পড়ে একটা প্রোগ্রাম লিখে ফেললাম। আঁতলামী হয়ে গেল বোধহয়। যাকগে আপনারা মজা পেলেই হয়।

শর্মীর পোস্ট পাবেন এখানে

ডাউনলোড:
www.public.asu.edu/~smurshed/blog/jn.exe

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৫-১৫)

শুভ জন্মদিন - সাদিক মোহাম্মদ আলম


আজকে ১৬ই নভেম্বর সাদিক মোহাম্মদ আলমের জন্মদিন। শুভ জন্মদিন হে বন্ধু আমার। তোমার জীবনের অনুজ্জ্বল দিনগুলো সরিয়ে উজ্জ্বলতর দিন আসুক সেই শুভ কামনায়।

উপহার হিসেবে রবীন্দ্রনাথের একটি গান -

দুই হাতে -
কালের মন্দিরা যে সদাই বাজে, ডাইনে বাঁয়ে দুই হাতে,
সুপ্তি ছোটে নৃত্য উঠে নিত্য নতুন সংঘাতে।
বাজে ফুলে, বাজে কাঁটায়, আলোছায়ার জোয়ার ভাঁটায়,
প্রাণের মাঝে ওই-যে বাজে দু:খে সুখে শঙ্কাতে।
তালে তালে সাঁঝ সকালে, রূপ-সাগরে ঢেউ লাগে।
সাদা-কালোর দ্বন্দ্বে যে ওই ছন্দে নানার রঙ জাগে।
এই তালে তোর গান বেঁধে- কান্নাহাসির তান সেধে নে,
ডাক দিল শোন মরণ বাঁচন নাচন-সভার ডঙ্কাতে।


(সামহোয়্যারইনব্লগ ভার্সন)

একটি হ্যালোইন উৎসব


ছবি ১: পুলিশ যদি এমন হোত

হ্যালোইন হচ্ছে ভুতের উৎসব। আয়্যারল্যান্ড থেকে আসা এই উৎসবটি মূল ছিল একটি বিশ্বাস, প্রতিবছর নভেম্বরের ১ তারিখ সে বছরের মৃত আত্মারা কোন জীবিত মানুষের ঘাড়ে ভর করতে আসে। আর তাই জীবিত মানুষেরা বিভিন্ন আয়োজন করে তাদের তাড়াতে চায়।

এই অনুষ্ঠানের সাথে দুটো ব্যাপার জড়িত। একটা হল ট্রিক অর ট্রিট (trick-or-treat), আর আরেকটি হল জ্যাকের বাতি (Jack-o-lantern)। ছোট ছোট বাচ্চারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে আর দরজা নক করে বলে ট্রিক অর ট্রিট, তখন আপনার দায়িত¡ হচ্ছে তাদের ঝুলিতে কিছু ক্যান্ডি বা খাবার দাবার দিয়ে দেয়া। অর্থাৎ আপনি তাদের ট্রিট করলেন, কিন্তু ট্রিকটা যে কিভাবে করে সেটা আমার জানা নেই।

জ্যাকের বাতি নিয়ে একটা গল্প চালু আছে। জ্যাক ছিল ভীষন মাতাল আর ধুর্ত। একবার সে খোদ শয়তানকে ধোকা দিয়ে এক গাছে ওঠাল আর গাছের গোড়ায় একে দিল ক্রুশ। এতে করে শয়তান গাছ থেকে আর নামতে পারেনা। শয়তান আর তাকে জ্বালাতন করবেনা এরকম একটা শপথ করার পর তাকে মুক্তি দিল। বিপত্তি বাধল যখন সে মারা গেল। ঈশ্বর তাকে স্বগের্ ঢুকতে দিলনা কেননা সে ছিল পাজী, আর শয়তান তাকে নরকে ঢুকতে দিলনা কেননা সে খোদ শয়তানের সাথে বদমাইশি করেছে। কিন্তু শয়তান তাকে সঙ্গে দিল একটা এম্বারের বাতি আর সেটা যাতে নিভে না যায় সেজন্য দিল টানির্প নামের মিষ্টি আলু জাতীয় সবজির খোলস। এই বাতি নিয়ে জ্যাকের যাত্রা অন্ধকারের দিকে। ইউএসএ তে এই প্রথা চালু হবার পর টানির্পের পরিবতের্ লাল কুমড়ার ব্যবহার শুরু হয়, দামে সস্তা আর প্রচুর পাওয়া যায় বলে। বিস্তারিত পাবেন এখানে http://wilstar.com/holidays/hallown.htm আর এখানে http://en.wikipedia.org/wiki/Halloween

গত নভেম্বরে আমার প্রথম হ্যালোইন উৎসব দেখার সুযোগ হয়। পরের দিন আমার একটা প্রজেক্ট সাবমিশন ছিল তাই ঘন্টাখানেকের বেশী সময় কাটাতে পারিনি উৎসবটাতে। ইউনিভাসির্টির কাছে, টেম্পি শহরের ডাউনটাউন রাস্তা মিল এভিনিউতে শুরু হয় উৎসবটি। নীচে দেয়া ছবিতে দেখতে পাবেন বিভিন্ন মানুষের সাজগোজ করে আসা নমুনা। এরমধ্যে একটা ছবি আগের পোস্টে দিয়েছিলাম। একটি উল্লেখযোগ্য মেয়ের ছবি আমার তোলা হয়নি। মেয়েটির বয়স, ১৮/১৯ হবে। সে পরী সেজে এসেছিল, হাল্কা সবুজ রঙের ব্রা পেন্টি আর পাতলা একটা পাখা পরে। ছবিটি তুলিনি বলে এখনও আফসোস করি।

একটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, বিভিন্ন মুভির ক্যারেক্টার খুব উঠে আসে উৎসবটায়। বিশেষ করে সদ্য রিলিজ প্রাপ্ত ছবির। আর বেশ কয়েক যায়গায় গীটার, ড্রামস ইত্যাদি নিয়ে গানবাজনা হচ্ছিল। মিল এভিনিউ যায়গাটা অবশ্য এমনিতেই মজার, শুক্রবার রাতে হৈ চৈ গানবাজনা লেগেই থাকে।

এরই মাঝে লক্ষ্য করলাম এক লোক এই সমস্ত অনুষ্ঠান বাদ দিয়ে ঈশ্বরের পথে আসার জন্য চেঁচিয়ে যাচ্ছে। কেউ শুনছে না কিন্তু সে তার মত চেঁচিয়ে যাচ্ছে। নীচের ছবিতে দ্রষ্টব্য ব্যাটম্যানকে দেখলাম লোকটার সামনে গিয়ে পাখা উঁচু করে ধরল, আর লোকটা আরো উত্তেজিত হয়ে চেঁচাতে শুরু করল। অথচ সবাই ব্যাটম্যানকে তালি দিতে লাগল। উইয়ার্ড এটিচিউড।

যাই হোক বেশ মজাই লেগেছিল সেখানে গিয়ে। ছবি পোস্ট করলাম বেশ কিছু, আশা করি মজাটা শেয়ার করতে পারব।


ছবি ২: কঙ্কালের সাথে


ছবি ৩: গ্রিম রিপার (আত্মা সংগ্রহকারী ভুত) এর সাথে আমরা


ছবি ৪: আরো কিছু ভুত


ছবি ৫: স্টার ওয়াসের্র ডার্থ ভেডারের সাথে


ছবি ৬: লর্ড অভ দ্যা রিংসের ক্যারেক্টারদের সাথে টুসি


ছবি ৭: ব্যাটম্যান ও রবিন


ছবি ৮: যুদ্ধাহত মানুষের বেশে


ছবি ৯: উ লা লা ...


ছবি ১০: নরকের মানুষদের সাথে


ছবি ১১: টুসি গ্লোডেন টিকিট পেয়েছে চকলেট ফ্যাক্টরীতে যাবার...


ছবি ১২: কয়েকজন বাংলাদেশীদের সাথে

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৫-১৪)

আম্মু সোনা


আমার আম্মু সোনাটার ছবি পেয়ে তো খালি দেখছি আর দেখছি। মন আর ভরে না। খালি দেশে যেতে ইচ্ছে করছে, আর আম্মু সোনাটাকে আদর করতে ইচ্ছে করছে। ইনশাল্লাহ ডিসেম্বরে দেখা হবে আম্মু সোনার সাথে, তখন সঙ্গে করে বেঁধে নিয়ে আসব তাকে। কেউ হাজার মানা করলেও আটকাতে পারবেনা।


(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৫-০৯)

আমারো ইচ্ছে করে...


আমারো ইচ্ছে করে আলোচনা মুখর লেখা লিখতে। আমারো ইচ্ছে করে আমার লেখা গুলো ভরে যাক কমেন্টে কমেন্টে। আমারো ইচ্ছে করে আমার একদল উপাসক থাকুক, যারা আমার লেখা পড়ে উহু আহা করবে। আমারো ইচ্ছে করে আমার বদনখানা ঝুলুক সেরা পোস্টের জায়গাটায়। আমারো ইচ্ছে করে...

হাজারো ইচ্ছে ছাপিয়ে যায় এই ইচ্ছেটুকু - ধর্ম মানুক বা না মানুক, সবাই যেন যে যার যায়গায় দাঁড়িয়ে নিজের কাজটুকু করে যায়। যার যার ধর্ম তার তার কাছে, যার যার বিশ্বাস তার তার কাছে। কে ইসলাম ধর্ম বিশ্বাস করল কি করল না, কেউ ফি (PHI) এর মাহাত্ম্য উপলব্ধি করে দু রাকাত নামাজ পড়ল কিনা এসব খুব খুবই সামান্য বিষয়। মানছি আমিই এরকম একটা মন্তব্য করেছি। কিন্তু আমি নিজেই অনুভব করছি ব্যাপারগুলো তুচ্ছ।

নিজেকে আগিয়ে নিয়ে যান। নতুন নতুন বিষয়ে ভাবুন। সমস্যা ভাবুন, সমাধান ভাবুন। ভাবুন কি করে নিজের উন্নতি করবেন। কেননা নিজের উন্নতি মানেই দেশের উন্নতি। খামাখা অমুকের তমুক দোষ ধরে কি লাভ? নিজের দোষটা ধরুন আর সে ব্যাপারে পোস্ট করুন। নিজেকে জানুন, যাচাই করুন, উন্নত করুন। তবেই না আমরা প্রমান করব নিজেদেরকে সেরা হিসেবে।

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-২৯)

ইয়াহু মেইল বেটা


অনেক দিন ধরে আসবে আসবে শুনছি। আর প্রতীক্ষার পালা গুনছিলাম। এখন একটা পদ্ধতি পাওয়া গিয়েছে নতুন ইয়াহু মেইল বেটা পাবার জন্য। আপনার Content Preference কে পরিবর্তন করতে হবে Germany, France or UK তে। তারপর নতুন করে লগইন করলে আপনাকে জিজ্ঞেস করা হবে নতুন ইয়াহু মেইল বেটা ব্যবহার করতে চান কিনা। ইয়েস ক্লিক করুন। অপশন থেকে আবার আগের Content Preference এ চলে যান। এরপর আপনি নতুন ইয়াহু মেইল দেখতে পারবেন। না দেখলে অপশন থেকে বেছে নিন নতুন বেটা।

Content Preference পরিবর্তন করবেন কিভাবে:
* লগইন করুন ইয়াহু তে
* অপশন ক্লিক করুন (উপরে-ডানদিকে)
* বাম প্যানেল থেকে Account information ক্লিক করুন
* Member Information, General Preferences, Preferred Content এ যান
* উপরোক্ত দেশগুলোর একটি বেছে নিন, উদাহরনস্বরুপ: Yahoo UK বেছে নিতে পারেন।
* Finished ক্লিক করুন
* ইয়াহু মেইলে ফিরে আসুন, নতুন করে লগইন করে
* It's the New Yahoo! Mail Beta... and you're invited. লেখা একটা পেইজ দেখতে পাবেন
* Try Beta Now ক্লিক করুন

নতুন ইয়াহু মেইল বেটার সুবিধা অনেক। অ্যাজাক্স ভিত্তিক নতুন ইন্টারফেস আপনাকে পুরোপুরি ডেক্সটপ মেইল ক্লায়েন্ট ব্যবহারের স্বাচ্ছন্দ্য দেবে। বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন:
http://yahoo.weblogsinc.com/2005/09/14/review-new-yahoo-mail-beta/

আপনাদের সুবিধার্থে উপরের ইনস্ট্রাকশনটা ইংরেজীতেও দিলাম।
To get Yahoo Mail Beta, just switch your content preference to Germany, France or UK. Then you will be asked if you want to join the beta when you log into your Yahoo Mail. Say yes, and join the beta. Then from the options menu, change your content preference what it was before. Then go to Yahoo Mail again. You should see Yahoo Beta. If you don't see it, go to options and click "Try Beta" button. That's all.

How to change your content preference:
* log in to Yahoo Mail
* click Options
* select Account information from the left panel
* go to Member Information, General Preferences, Preferred Content
* select, for example, Yahoo UK
* click Finished
* go to Yahoo Mail
* you'll see a page that says "It's the New Yahoo! Mail Beta... and you're invited."
* click on "Try Beta Now".

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-২৫)

ভুতুড়ে কান্ড


আপনার স্পিকারের ভলিউম বাড়িয়ে দিন এবং নিচের লেখাটি পড়ুন ।

ব্রিটেনে একটি গাড়ি কোম্পানীর বিজ্ঞাপন হিসেবে একটি ভিডিও নেয়া হয়। ছবির শুটিং শেষ হলে পরে ফিল্ম এডিটর দেখেন গাড়ির পাশ দিয়ে কি যেন একটা ভুতুড়ে সাদা ছায়ার মত দেখা যাচ্ছে। এই ব্যাখ্যার অযোগ্য জিনিসটির কারনে বিজ্ঞাপনটি কখনই টিভিতে দেখানো হয়নি। গাড়িটি যখন গাছটি পার হয়ে যেতে থাকবে তখন এর সামনের দিকটি লক্ষ্য করুন। একটি ছায়ার মত জিনিস গাড়ির সামনে দিয়ে পার হয়ে এর পাশ দিয়ে যেতে শুরু করবে। সন্দেহজনক ...! এটা ভুত নাকি কেবলই একটা ধোঁয়াজাতীয় কিছু? আপনিই ঠিক করুন।

সর্তকতাঃ দয়া করে দুর্বল চিত্তরা দেখবেন না।

ক্লিক করুন এখানে

সংগ্রহ

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-২৪)

মজার ভিডিও


মজার একটা ভিডিও পাবেন লিঙ্কটায়। ক্লিক করুন এখানে
বিভিন্ন রকম টোকাটুকির খেলা।

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-২৪)

টাইটেল বিড়ম্বনা


বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ারদের প্রতি অনেকের অনেক রাগ। কেন সেটা আসলে বর্ণনা করা মুশকিল। আমার একজন সিনিয়র বন্ধু আছেন। তিনি বুয়েটের পোলাপানদের দেখতেই পারেন না। তারা নাকি অহংকারী, নাক উঁচু, অন্যের কাজের মূল্য দিতে জানেনা, অকারনে বিভিন্ন জায়গায় সম্মান দাবী করে এবং সেটা পায়ও। তার দুচোখের বিষ ছিল কেউ যখন নামের আগে ইঞ্জিনিয়ার লেখে। তার ধারনা ছিল, শুধু মাত্র বুয়েট পাশ করা কুতুবরা নামের আগে এই টাইটেল ব্যবহার করে। অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের কেউ এটা ব্যবহার করে না। আমি তার প্রজ্ঞাকে সম্মান করতাম, মেনে নিয়েছিলাম তার কথা। এই লেখাটি আসলে সে কথাটির প্রেক্ষিতে লেখতে চেয়েছিলাম। লেখার আগে গুগল করে তো আমার টনক নড়ল ...!

এটা সত্যি যে কোন টাইটেল ব্যবহার করতে হলে সেটার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি লাগে। বুয়েটের সাটির্ফিকেট এই স্বীকৃতি দেয় কিনা আমার জানা নেই। সেক্ষেত্রে এই টাইটেল ব্যবহার কিন্তু যৌক্তিক না। যদিও ইঞ্জিনিয়ার টাইটেলটা কিন্তু গ্রহনযোগ্য। একটা টাইটেলের লিস্ট পাবেন এখানে

আমার আরেকটি ব্যপার জানতে ইচ্ছা করে, আমাদের দেশের ডাক্তাররা কি এরকম কোন প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি পান নামের আগে 'ডাঃ' ব্যবহার করতে। কিংবা যখন তারা নামটাকে ভারী করতে ব্যবহার করেন বিভিন্ন পেশাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ। যেমন, S M Mahbub Murshed, Blogger।

আমাদের দেশে টাইটেল ব্যবহার করে ভাব বাড়ানোর কাজে আইনজীবীরাও কিন্তু কম যান না। তাদেরও আমি দেখেছি একইরকম ভাবে টাইটেল ব্যবহার করতে।

টাইটেলে কি আসে যায়! সবাই যদি নিজের কাজটুকু জানত, নিজের দায়িত্বটুকু পালন করত তাহলে কি টাইটেল দরকার ছিল? দরকার ছিল মিছিমিছি সবার থেকে আলাদা হবার চেষ্টা?

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-২৪)

পশ্চিমে নগ্নতা

বিষয়টা একটু indecent হয়ে গেলো। দুঃখিত সেজন্য। সবাই জানেন পশ্চিমে এটা কোন বিষয় না। আমি শুধু মাত্র কতগুলো উদাহরন দেব বিষয়টার ব্যাপ্তি বোঝানোর জন্য।

আমি যেখানটায় থাকি সেখানে প্রচন্ড গরম পড়ে। আমেরিকার দক্ষিন পশ্চিম এলাকা। ভীষন পাহাড়ী, ধুসর মরুভুমির মত একটি এলাকা। এখানে বাড়ি করলে মানুষজন উঠানে ঘাস কিনে, লাগিয়ে আঙ্গিনা সবুজ বানায়। গ্রীষ্মকালে মোটামুটি নরক হয়ে যায় যায়গাটা। এখনও এখানে রেড ইন্ডিয়ানদের বসতি দেখা যায়। অনেক আমেরিকান এই স্টেটটা পছন্দ করে একারনে যে, শীতকালে উল্লেখযোগ্য পরিমানে তুষারপাত হয়না - তাই শীতকালীন সমস্যা থেকে মুক্তি।

আমি এতকিছু জানতাম না। আমি এখানে এসে পৌছেছি গত বসন্তে। তো গরমকাল পড়তে পড়তে দেখলাম মেয়েগুলো জামা যেন গায়ে থাকে না। কাপড় কমতে কমতে দেখলাম ব্রা আর পেন্টি পরে ঘুরে বেড়ানো শুরু করল। :p অ্যাপার্টমেন্টের সুইমিং পুলে দেখি দিনের বেলা সান বাথ করে। আর রাস্তাঘাটে চুমু দেয়া টেয়া এইসব তো আছেই।

যাইহোক। গত ফেব্রুয়ারীতে ভ্যালেন্টসটাইন ডে উপলক্ষ্যে আমাদের ইউনিভাসির্টির ড্রামা স্কুল সেক্সপিয়ারের রোমিও জুলিয়েট অভিনয় করবে। তো আমি আর আমার রুমমেট, আন্ডারগ্র্যাজুয়েটের একটা ছেলে, ভাবলাম যাই নাটকটা দেখে আসি। নাটকের একপর্যায়ে জুলিয়েটের মার সাজঘরের কিছু আলাপন ছিল, সেখানটায় এসে অভিনেত্রী সব কাপড় খুলে ফেলল। আমি তো তাজ্জব হয়ে বসে থাকলাম। সঙ্গে তাও একটা জুনিয়র ছেলে। নাটক ছেড়ে যে চলে আসব তাও সম্ভব না। স্টেজটা দর্শকদের ঘিরে, অভিনয় করতে করতে তারা কখনও পাশদিয়েও চলে যায়। সুতরাং গিলতে হলো দৃশ্যগুলো। মাঝবিরতির সময় আমরা দুজন আলোচনা করলাম যে আর বোধহয় খারাপ দৃশ্য নেই, সুতরাং দেখা যায়। কিন্তু এবারে গিলতে হল রোমিও জুলিয়েটের সঙ্গমের দৃশ্য, আমার থেকে দশ ফুট দুরে! :p

সেদিন বাজার করে ফিরছি, শুনি প্রতিবেশী কেউ একজন শিৎকার করছে, আকাশ বাতাস কাপিঁয়ে। আরে বাবা করছিস যখন একটু সামলে কর ... !

এতো ফ্রি এরা তারপরও এদের রেপ সমস্যা কেন দেখা যায়? কেন এতো freaky লোকজন ঘুরঘুর করে? সেদিন খবরে দেখলাম এক লোক তার প্রতিবেশীর এক কিশোরীকে ধর্ষন করে মেরে ফেলেছে। তারপর সেই মৃতদেহ কয়েকদিন ধরে ঘরে রেখে ধর্ষন করেছে। শেষপর্যন্ত তাকে রান্না করে খেয়ে ফেলার আগে পুলিশ ধরে ফেলে। what the hell?

কোন সমাজ দেবে ভাল মানুষ? ধর্মগোড়া গে হুজুদের সমাজ? নাকি নগ্নতাবাদী পশ্চিম সমাজ? কেন তাহলে আমাদের এতো কোলাহল? কেন?

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-২১)

মাইক্রোসফট ১৯৭৮


মাইক্রোসফট ১৯৭৮ এ যখন চালু হয়।

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-১২)

ক্যালকুলাস



http://tinypic.com/5jsosl থেকে সংগ্রহীত।

(পোস্ট বাড়ানোর অপচেষ্টা :p)

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-১২)

মজার ওয়েবসাইট

একটা মজার ওয়েবসাইট পেলাম।
www.wimp.com

প্রতিদিন এখানে মজার মজার ভিডিও আপলোড করা হয়। দেখে মনে হচ্ছে সময় নষ্ট করার ভাল জিনিস। আমার অবশ্য দেখে অতটা মজা লাগেনি। ট্রাই করে দেখুন আপনার কেমন লাগে।

(প্রথম প্রকাশ: সামহোয়্যারইন ব্লগ ২০০৬-০৪-১২)